ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জোরপূর্বক শ্রম

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০১:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

জোরপূর্বক শ্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সরকারি নথি অনুসারে, ৬০টি দেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

শুল্ক আরোপের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য মার্কিন বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে। এ কারণেই এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং জাপানসহ বাণিজ্য অংশীদারদের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন তদন্ত শুরু করার কয়েক মাস পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) জানায়, এই দেশগুলোর মধ্যে ৫৪টি ‘জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং কার্যকরভাবে তা প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছে’।

এমন সময়ে এ প্রস্তাব দেওয়া হলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসন তার জরুরি শুল্ক কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে ওই শুল্কব্যবস্থা বাতিল হয়েছিল।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, জোরপূর্বক শ্রম সংক্রান্ত তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান এবং যুক্তরাজ্য থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, তদন্তাধীন বাকি ৪৫টি দেশের ওপর অতিরিক্ত ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

সূত্র: ডন

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জোরপূর্বক শ্রম

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর নতুন শুল্কের প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় : ০১:৫২:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

জোরপূর্বক শ্রমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থতার কথা উল্লেখ করে বাংলাদেশসহ ৬০টি দেশের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সরকারি নথি অনুসারে, ৬০টি দেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ থেকে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

শুল্ক আরোপের কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে উৎপাদিত পণ্য মার্কিন বাণিজ্যকে বাধাগ্রস্ত করছে। এ কারণেই এমন প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

চীন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং জাপানসহ বাণিজ্য অংশীদারদের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটন তদন্ত শুরু করার কয়েক মাস পর এই পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

মঙ্গলবার মার্কিন বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) জানায়, এই দেশগুলোর মধ্যে ৫৪টি ‘জোরপূর্বক শ্রমের মাধ্যমে পণ্য আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং কার্যকরভাবে তা প্রয়োগ করতে ব্যর্থ হয়েছে’।

এমন সময়ে এ প্রস্তাব দেওয়া হলো, যখন ট্রাম্প প্রশাসন তার জরুরি শুল্ক কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। গত ফেব্রুয়ারিতে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এক রায়ে ওই শুল্কব্যবস্থা বাতিল হয়েছিল।

ইউএসটিআর জানিয়েছে, জোরপূর্বক শ্রম সংক্রান্ত তদন্তের পরিপ্রেক্ষিতে কানাডা, ইকুয়েডর, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা, বাংলাদেশ, কম্বোডিয়া, এল সালভাদর, গুয়াতেমালা, মালয়েশিয়া, তাইওয়ান এবং যুক্তরাজ্য থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর ১০ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, তদন্তাধীন বাকি ৪৫টি দেশের ওপর অতিরিক্ত ১২ দশমিক ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

সূত্র: ডন