সবাই আজ এক কাতারে, কেউ যেন বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী
- আপডেট সময় : ১১:৪১:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬ ১৩১ বার পড়া হয়েছে
সব ধমের্র মানুষকে নিয়ে একটি শান্তির বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, আমরা আজ সব ধমের্র মানুষ একসঙ্গে বসেছি, এক কাতারে বসেছি। এটি আমাদের বাংলাদেশের আবহমানকালের ঐতিহ্য। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে।
শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত, সেবায়েত এবং বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ-উপাধ্যক্ষদের মাসিক সম্মানী প্রদান পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান– আমরা সবাই মিলে একটি শান্তিময় ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। সকলের জন্য আমরা গড়ে তুলব একটি নিরাপদ রাষ্ট্র; একটি নিরাপদ সমাজ। আমরা সারাদেশে মসজিদ এবং এই ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই।
তিনি বলেন, বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের খতিব-ইমাম-মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, অধ্যক্ষদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার কর্মসূচি বর্তমান সরকার চালু করেছে। আজ (শনিবার) থেকে এ কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় ৪৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারে ১৬ হাজার ৯৯২ জন এই মাসিক সম্মানী পাওয়া শুরু করেছেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এ কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য সরকারের এসব অর্থনৈতিক কর্মসূচি গ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, নাগরিকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা।
তারেক রহমান আরও বলেন, আপনাদের কাছে একটি বিনীত আহ্বান, আপনারা কেউ মসজিদে কিংবা যার যার ধর্মীয় উপাসনালয়ে দায়িত্ব কল্যাণের পাশাপাশি নিজেদের বিভিন্ন অর্থনৈতিক সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করতে চাইলে আপনাদের সেই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সরকারের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকবে সহযোগিতা করা। এর বাইরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রতিটি জেলা-উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে একজন ইমাম অথবা একজন খতিব অথবা সেই এলাকার অন্য কোনো ধর্মীয় গুরু, তাদেরও সদস্য হিসেবে রাখব।
ভোটের কালি শুকানোর আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু
নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যারা অর্থনৈতিকভাবে হয়তো বা অনেক ক্ষেত্রে পিছিয়ে, তাদের জন্য একটি সম্মানী বা আর্থিক সহায়তা কিংবা কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে আর্থিক বৈষম্য দূর করে আমরা সবাই মিলে একটু শান্তিতে, একটু ভালোভাবে থাকব। জাতীয় নির্বাচনের আগে আমরা জনগণের কাছে সেই রকমই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। জনগণের রায়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই আমরা আমাদের সকল প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।
তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারী সমাজের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছি। পর্যায়ক্রমে এই কার্ড সারা বাংলাদেশে ৪ কোটি পরিবারের নারীপ্রধান পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পহেলা বৈশাখ থেকে আমরা কৃষক কার্ডের পাইলট প্রকল্প চালু করব। আগামী ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে আমাদের খাল খনন কর্মসূচি।
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
দৈনিক ঢাকা প্রতিদিনের সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিকের মুক্তির দাবিতে কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পানির নিচে: চরম ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী ও বাসিন্দা
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম অর্ধবেলা বন্ধ
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাতে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটির প্রস্তাবপত্র হস্তান্তর করেন ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রকল্প উপদেষ্টা আধূনিক বাংলাদেশ এর ব্রান্ড এম্বাসেডর মো নিয়ামত আলী
আন্তর্জাতিক মানের স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা
তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ
আন্তর্জাতিক মানের স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা





























































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































