সাত মাসে আয় কমেছে ৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ, কঠিন প্রতিযোগিতা
পোশাক রপ্তানিতে টানা ধস
- আপডেট সময় : ০১:৫৭:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে
পোশাক রপ্তানিতে টানা সাত মাস মন্দাভাব চলছে। পোশাক রপ্তানি কমায় বাংলাদেশের সার্বিক রপ্তানিও টানা কমেছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে সামগ্রিক রপ্তানি আয় ৩ দশমিক ১৩ শতাংশ কমে ৩১ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার হয়েছে, যা এক বছর আগে একই সময়ে ছিল ৩২ দশমিক ৯৪ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানি আয়ের প্রাণশক্তি তৈরি পোশাক খাতের আয় ফেব্রুয়ারিতে ১৩ দশমিক ২১ শতাংশ কমে ২ দশমিক ৮১ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলার।
চলতি অর্থবছর ২০২৫-২৬ সালের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় ৩ দশমিক ৭৩ শতাংশ কমে ২৫ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার হয়েছে, যা আগের বছর ছিল ২৬ দশমিক ৭৯ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।
ইপিবির প্রতিবেদনে দেখা যায়, আগস্টে পোশাক রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ৭৫ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে আগের মাসের থেকেও বেশি কমেছে অর্থাৎ ৫ দশমিক ৬৬ শতাংশ। অক্টোবরে পোশাক রপ্তানি কমেছে ৮ দশমিক ৩৯ শতাংশ।
নভেম্বরে কমেছে ৫ শতাংশ। ডিসেম্বরে কমেছে ১৪ দশমিক ২৩ শতাংশ। জানুয়ারিতে ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমেছে। ফেব্রুয়ারি মাসে ওভেন পোশাক রপ্তানি কমেছে ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
আর নিট পোশাক রপ্তানি কমেছে ৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ। গত অর্থবছরের ফেব্রুয়ারিতে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৫৯ কোটি ডলারের। চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারিতে রপ্তানি হয়েছে ১৪১ কোটি ডলারের। আর নিট পোশাক গত অর্থবছরের ফেব্রুয়ারিতে ১৬৫ কোটি ডলারের রপ্তানি হয়েছে। এ অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছে ১৩৯ কোটি ডলারের।
চলতি অর্থবছরের জুলাই-ফেব্রুয়ারি সাত মাসে নিটওয়্যার পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১৩ দশমিক ৬৮ বিলিয়ন ডলারের। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৪ দশমিক ৫৬ শতাংশ কম। চলতি অর্থবছরের জুলাই-ডিসেম্বর মাসে ওভেন পোশাক রপ্তানি হয়েছে ১২ দশমিক ১০ বিলিয়ন ডলারের। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২ দশমিক ৭৯ শতাংশ কম।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, কয়েক মাস ধরে দেশের রপ্তানি আয় কমছে। আগামী জুন পর্যন্ত কমতে পারে। তবে জুনের পর বাড়বে কি না, সেটাও বলা যাচ্ছে না। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী মন্দা চলছে। আমাদের বড় সংকট হলো ব্যাংকিং খাত। ব্যাংকিং সংকট আমদানি-রপ্তানিকে বাধাগ্রস্ত করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত করছে। একটার পর একটা কারখানা বন্ধ হওয়ার মূল কারণ ব্যাংকিং সমস্যা। বাংলাদেশ ব্যাংকের গত দেড়-দুই বছরের ভুল নীতির কারণে একটার পর একটা কারখানা বন্ধ হয়েছে।
বিজিএমইএর সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ইউরোপ-আমেরিকা দুই জায়গাতেই পোশাক রপ্তানি কমছে। মোট রপ্তানিতে এটার প্রভাব পড়ছে। অপ্রচলিত বাজারেও আমরা ভালো করতে পারিনি। এ ছাড়া ফেব্রুয়ারি আমাদের নির্বাচনের মাস ছিল, কাজের সময় কম পাওয়া গেছে, বন্দর বন্ধ ছিল এজন্য বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। টোটাল রপ্তানি কমছে। গণতান্ত্রিক নতুন সরকার এসেছে। আমরা ভালো কিছু আশা করছি। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে এখন আবার ইরান যুদ্ধ শুরু হয়েছে। বিশ্বব্যাপী এর প্রভাব পড়বে। সামনে কী প্রভাব পড়বে তা দেখার বিষয়।
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
দৈনিক ঢাকা প্রতিদিনের সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিকের মুক্তির দাবিতে কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পানির নিচে: চরম ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী ও বাসিন্দা
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম অর্ধবেলা বন্ধ
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাতে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটির প্রস্তাবপত্র হস্তান্তর করেন ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রকল্প উপদেষ্টা আধূনিক বাংলাদেশ এর ব্রান্ড এম্বাসেডর মো নিয়ামত আলী
আন্তর্জাতিক মানের স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা
তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ
আন্তর্জাতিক মানের স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা























































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































