ঢাকা ০১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্য

ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে সে দেশের জনগণ: মালালা

আল–জাজিরা
  • আপডেট সময় : ০২:০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬ ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

নোবেলজয়ী মালালা ইউসুফজাই ছবি: রয়টার্স

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে সে দেশের জনগণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মালালা লিখেছেন, ‘ইরানের এই বিক্ষোভকে শিক্ষা ও জনজীবনের সব ক্ষেত্রে মেয়েদের ও নারীদের স্বাধীনতার ওপর দীর্ঘকাল ধরে চাপিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রীয় বিধিনিষেধ থেকে আলাদা করে দেখা যাবে না। সব জায়গার মেয়েদের মতোই ইরানি মেয়েরাও মর্যাদার সঙ্গে জীবন যাপন করতে চান।’

মালালা আরও লিখেছেন, ‘ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে দেশটির জনগণ, যেখানে ইরানি নারী ও মেয়েদের নেতৃত্ব থাকতে হবে—কোনো বিদেশি শক্তি বা দমনকারী শাসনব্যবস্থা নয়।’

ইরানের কর্মকর্তারা বলছেন, তাঁরা দেশের ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে শুরু হওয়া শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমর্থন করেন। তবে কোনো সহিংস অস্থিরতা সহ্য করবেন না। এই বিক্ষোভ উসকে দেওয়ার জন্য তাঁরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন।

পাকিস্তানে মেয়েদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার লড়াইয়ে অবদান রাখার জন্য ২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান মালালা ইউসুফজাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মধ্যপ্রাচ্য

ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে সে দেশের জনগণ: মালালা

আপডেট সময় : ০২:০৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মালালা ইউসুফজাই ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে সে দেশের জনগণ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) মালালা লিখেছেন, ‘ইরানের এই বিক্ষোভকে শিক্ষা ও জনজীবনের সব ক্ষেত্রে মেয়েদের ও নারীদের স্বাধীনতার ওপর দীর্ঘকাল ধরে চাপিয়ে দেওয়া রাষ্ট্রীয় বিধিনিষেধ থেকে আলাদা করে দেখা যাবে না। সব জায়গার মেয়েদের মতোই ইরানি মেয়েরাও মর্যাদার সঙ্গে জীবন যাপন করতে চান।’

মালালা আরও লিখেছেন, ‘ইরানের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে দেশটির জনগণ, যেখানে ইরানি নারী ও মেয়েদের নেতৃত্ব থাকতে হবে—কোনো বিদেশি শক্তি বা দমনকারী শাসনব্যবস্থা নয়।’

ইরানের কর্মকর্তারা বলছেন, তাঁরা দেশের ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে শুরু হওয়া শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সমর্থন করেন। তবে কোনো সহিংস অস্থিরতা সহ্য করবেন না। এই বিক্ষোভ উসকে দেওয়ার জন্য তাঁরা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করেছেন।

পাকিস্তানে মেয়েদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার লড়াইয়ে অবদান রাখার জন্য ২০১৪ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান মালালা ইউসুফজাই।