ঢাকা ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্যাংকে চার লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ওপর আবগারি শুল্ক লাগবে না

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০২:২১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬ ১৭ বার পড়া হয়েছে

ছবি-সংগৃহীত

ব্যাংকে জমা উত্তোলনে কর ছাড় আরও বাড়িয়ে চার লাখ টাকা হচ্ছে। একই সাথে একটি ঋণের বিপরীতে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা হলেও একবারই শুল্ক কাটা হবে। বর্তমানে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ওপর শুল্ক ছাড় রয়েছে। বৃহস্পতিবার ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমন প্রস্তাব করতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ব্যাংক জমার ক্ষেত্রে মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া এই কর ছাড় বাড়ানোর প্রধান লক্ষ্য। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের আগ পর্যন্ত জমা স্থিতির পরিমাণ এক লাখ টাকা পার হলেই আবগারি শুল্ক কাটা হতো। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাজেটে কর ছাড় বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করা হয়। এখন আরও বাড়তে যাচ্ছে।

আমানতের ওপরই কেবল আবগারি শুল্ক কাটা হয় তেমন না। আমানত, ঋণ বা অন্য যে কোনো ধরনের জমার ভিত্তিতে বছরে একবার আবগারি শুল্ক বা এক্সাইজ ডিউটি কেটে সরকারি কোষাগারে জমা করে ব্যাংকগুলো। একটি ঋণ হিসাব পরিচালনার জন্য একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা হলেও প্রতিটি হিসাব থেকে আলাদা–আলাদা শুল্ক কাটা হয়।

জানা গেছে, আগামী অর্থবছর একটি ঋণ হিসাবের বিপরীতে যতো অ্যাকাউন্টই খোলা হোক একবারই শুল্ক কাটা হবে।

আবগারি শুল্কের বাইরে আমানতে অর্জিত মুনাফার ওপর আলাদা কর নেয় সরকার। এক্ষেত্রে যাদের রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র রয়েছে তাদের ১০ শতাংশ এবং যাদের নেই তাদের ১৫ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হয়। এর বাইরে ব্যাংকগুলো সার্ভিস চার্জসহ বিভিন্ন ধরনের ফি নিয়ে থাকে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ব্যাংকে চার লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ওপর আবগারি শুল্ক লাগবে না

আপডেট সময় : ০২:২১:০৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

ব্যাংকে জমা উত্তোলনে কর ছাড় আরও বাড়িয়ে চার লাখ টাকা হচ্ছে। একই সাথে একটি ঋণের বিপরীতে একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা হলেও একবারই শুল্ক কাটা হবে। বর্তমানে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতির ওপর শুল্ক ছাড় রয়েছে। বৃহস্পতিবার ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এমন প্রস্তাব করতে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

ব্যাংক জমার ক্ষেত্রে মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া এই কর ছাড় বাড়ানোর প্রধান লক্ষ্য। ২০২৫–২৬ অর্থবছরের আগ পর্যন্ত জমা স্থিতির পরিমাণ এক লাখ টাকা পার হলেই আবগারি শুল্ক কাটা হতো। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাজেটে কর ছাড় বাড়িয়ে তিন লাখ টাকা করা হয়। এখন আরও বাড়তে যাচ্ছে।

আমানতের ওপরই কেবল আবগারি শুল্ক কাটা হয় তেমন না। আমানত, ঋণ বা অন্য যে কোনো ধরনের জমার ভিত্তিতে বছরে একবার আবগারি শুল্ক বা এক্সাইজ ডিউটি কেটে সরকারি কোষাগারে জমা করে ব্যাংকগুলো। একটি ঋণ হিসাব পরিচালনার জন্য একাধিক অ্যাকাউন্ট খোলা হলেও প্রতিটি হিসাব থেকে আলাদা–আলাদা শুল্ক কাটা হয়।

জানা গেছে, আগামী অর্থবছর একটি ঋণ হিসাবের বিপরীতে যতো অ্যাকাউন্টই খোলা হোক একবারই শুল্ক কাটা হবে।

আবগারি শুল্কের বাইরে আমানতে অর্জিত মুনাফার ওপর আলাদা কর নেয় সরকার। এক্ষেত্রে যাদের রিটার্ন জমার প্রমাণপত্র রয়েছে তাদের ১০ শতাংশ এবং যাদের নেই তাদের ১৫ শতাংশ হারে শুল্ক দিতে হয়। এর বাইরে ব্যাংকগুলো সার্ভিস চার্জসহ বিভিন্ন ধরনের ফি নিয়ে থাকে।