ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রকাশকদের বিবৃতি

২০ ফেব্রুয়ারি বইমেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০২:৪৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৯১ বার পড়া হয়েছে

বাংলা একাডেমি কোনো অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই অমর একুশে বইমেলা ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে এ সিদ্ধান্তকে একতরফা, অগণতান্ত্রিক ও আত্মঘাতী আখ্যা দিয়েছেন প্রকাশকরা।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন তারা।

বিবৃতিতে সৃজনশীল প্রকাশকরা বলেন, রমজান মাসের মধ্যে বইমেলা শুরু হলে পাঠক সংকট তৈরি হবে, স্টলকর্মীদের ওপর অমানবিক চাপ পড়বে এবং প্রকাশকদের জন্য নিশ্চিত আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তাদের মতে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাবনার চেয়ে এই মানবিক ও বাণিজ্যিক বিপর্যয় অনেক বেশি বাস্তব ও তাৎক্ষণিক।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইতোমধ্যে ৩২টি প্যাভিলিয়ন ও ১৫২টি স্টলের স্বনামধন্য প্রকাশকরা লিখিতভাবে ঈদুল ফিতরের পর বইমেলা আয়োজনের পক্ষে মত দিয়েছেন। রোজার মধ্যে মেলা আয়োজন করা হলে তা ব্যর্থ ও কলঙ্কিত আয়োজনে পরিণত হবে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এই সিদ্ধান্তকে তারা ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রকাশকরা অবিলম্বে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে ঈদুল ফিতরের পর অমর একুশে বইমেলা আয়োজনের জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা বলেন, আমরা এখনো সরকারের উচ্চপর্যায় ও বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি-দয়া করে প্রকাশকদের বক্তব্য ও বাস্তবতা অনুধাবন করুন। জেদ বজায় রাখতে গিয়ে একটি জাতীয় উৎসবকে ধ্বংস করবেন না। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর উৎসবমুখর পরিবেশে মেলা আয়োজনের ব্যবস্থা করুন। অন্যথায়, উদ্ভুত যেকোনো পরিস্থিতির দায়ভার আয়োজক প্রতিষ্ঠানকেই বহন করতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

প্রকাশকদের বিবৃতি

২০ ফেব্রুয়ারি বইমেলা আয়োজনের সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী

আপডেট সময় : ০২:৪৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলা একাডেমি কোনো অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই অমর একুশে বইমেলা ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছে—এমন অভিযোগ তুলে এ সিদ্ধান্তকে একতরফা, অগণতান্ত্রিক ও আত্মঘাতী আখ্যা দিয়েছেন প্রকাশকরা।

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে এ অভিযোগ করেন তারা।

বিবৃতিতে সৃজনশীল প্রকাশকরা বলেন, রমজান মাসের মধ্যে বইমেলা শুরু হলে পাঠক সংকট তৈরি হবে, স্টলকর্মীদের ওপর অমানবিক চাপ পড়বে এবং প্রকাশকদের জন্য নিশ্চিত আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তাদের মতে, প্রাকৃতিক দুর্যোগের সম্ভাবনার চেয়ে এই মানবিক ও বাণিজ্যিক বিপর্যয় অনেক বেশি বাস্তব ও তাৎক্ষণিক।

বিবৃতিতে বলা হয়, ইতোমধ্যে ৩২টি প্যাভিলিয়ন ও ১৫২টি স্টলের স্বনামধন্য প্রকাশকরা লিখিতভাবে ঈদুল ফিতরের পর বইমেলা আয়োজনের পক্ষে মত দিয়েছেন। রোজার মধ্যে মেলা আয়োজন করা হলে তা ব্যর্থ ও কলঙ্কিত আয়োজনে পরিণত হবে বলেও তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এই সিদ্ধান্তকে তারা ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

প্রকাশকরা অবিলম্বে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে ঈদুল ফিতরের পর অমর একুশে বইমেলা আয়োজনের জোর দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা বলেন, আমরা এখনো সরকারের উচ্চপর্যায় ও বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করছি-দয়া করে প্রকাশকদের বক্তব্য ও বাস্তবতা অনুধাবন করুন। জেদ বজায় রাখতে গিয়ে একটি জাতীয় উৎসবকে ধ্বংস করবেন না। অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুন এবং পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর উৎসবমুখর পরিবেশে মেলা আয়োজনের ব্যবস্থা করুন। অন্যথায়, উদ্ভুত যেকোনো পরিস্থিতির দায়ভার আয়োজক প্রতিষ্ঠানকেই বহন করতে হবে।