ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাদ্দামের পরিণতি যেন কোনো দলের কর্মীর কপালে না ঘটে: রুমিন ফারহানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:১৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬ ৬৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল–আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, যাদের পেছনে সাদ্দামের মতো কর্মীরা গত ১৫ বছর রাজনীতি করেছে, যাদেরকে কর্মীরাই নেতা বানিয়েছে—তারাই আজ সাদ্দামের পরিবারের কোনো খোঁজ নেয়নি।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নে এক নির্বাচনি সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, সাদ্দাম ছাত্রলীগ করতো। কিন্তু ছাত্রদলেও গত ১৫ বছরে এমন অনেক কর্মী ছিল। যে কর্মী নেতাকে নেতা বানাতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত কারাগারে যায়, যার স্ত্রী–সন্তান চরম হতাশায় আত্মহননের পথ বেছে নেয়—আপনারা কি এমন নেতা চান, যে তার কর্মীর পরিবারের খবর রাখেন না?

তিনি আরো বলেন, সাদ্দামের ঘটনা আপনারা গণমাধ্যমে দেখেছেন। তিনি ছাত্রলীগের একজন কর্মী ছিলেন। তার স্ত্রী নবজাতক সন্তানকে হত্যা করে আত্মহত্যা করেন। সাদ্দাম তখন কারাগারে। একজন নেতা ছিল না, যে তাকে একদিনের জন্য প্যারোলে বের করে আনবে। স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ কারাগারে নেওয়ার পর মাত্র পাঁচ মিনিট তাদের দেখতে পেরেছে।

রুমিন ফারহানা আরো বলেন, গত ১৫ বছর বিএনপির অনেক বড় বড় কুতুবের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল, নম্বর ছিল বিদেশি। কর্মীরা সেই নম্বর জানত না। তখন তারা আমাকে পেত। তাই নেতা বাছাইয়ের সময় সাবধান হোন। সাদ্দামের মতো পরিণতি যেন বাংলাদেশের কোনো দলের কর্মীর কপালে না ঘটে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সাদ্দামের পরিণতি যেন কোনো দলের কর্মীর কপালে না ঘটে: রুমিন ফারহানা

আপডেট সময় : ০২:১৭:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া–২ (সরাইল–আশুগঞ্জ) আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, যাদের পেছনে সাদ্দামের মতো কর্মীরা গত ১৫ বছর রাজনীতি করেছে, যাদেরকে কর্মীরাই নেতা বানিয়েছে—তারাই আজ সাদ্দামের পরিবারের কোনো খোঁজ নেয়নি।

রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নে এক নির্বাচনি সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, সাদ্দাম ছাত্রলীগ করতো। কিন্তু ছাত্রদলেও গত ১৫ বছরে এমন অনেক কর্মী ছিল। যে কর্মী নেতাকে নেতা বানাতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত কারাগারে যায়, যার স্ত্রী–সন্তান চরম হতাশায় আত্মহননের পথ বেছে নেয়—আপনারা কি এমন নেতা চান, যে তার কর্মীর পরিবারের খবর রাখেন না?

তিনি আরো বলেন, সাদ্দামের ঘটনা আপনারা গণমাধ্যমে দেখেছেন। তিনি ছাত্রলীগের একজন কর্মী ছিলেন। তার স্ত্রী নবজাতক সন্তানকে হত্যা করে আত্মহত্যা করেন। সাদ্দাম তখন কারাগারে। একজন নেতা ছিল না, যে তাকে একদিনের জন্য প্যারোলে বের করে আনবে। স্ত্রী ও সন্তানের মরদেহ কারাগারে নেওয়ার পর মাত্র পাঁচ মিনিট তাদের দেখতে পেরেছে।

রুমিন ফারহানা আরো বলেন, গত ১৫ বছর বিএনপির অনেক বড় বড় কুতুবের মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল, নম্বর ছিল বিদেশি। কর্মীরা সেই নম্বর জানত না। তখন তারা আমাকে পেত। তাই নেতা বাছাইয়ের সময় সাবধান হোন। সাদ্দামের মতো পরিণতি যেন বাংলাদেশের কোনো দলের কর্মীর কপালে না ঘটে।