ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সেন্ট মার্টিন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

সেন্ট মার্টিন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তই বহাল রাখবে নির্বাচিত সরকার। পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত সময়েই খোলা রাখা হবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ। তিন মাসের অধিক সময় পর্যটন চালু থাকলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে বলে মনে করছে সরকার।

ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

ডয়চে ভেলের প্রশ্নের জবাবে লিখিত উত্তর দিয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরেজমিন বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা করে দেখা গেছে, ৯ মাস পর্যটন বন্ধ রাখার কারণে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের অবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে। দীর্ঘ প্রায় সাত বছর ধরে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শের ধারাবাহিকতায় সরকার ২০২৪ সালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পর্যটন নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বছরে ৯ মাস সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

২০২৪ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তী সরকার সেখানে গমনাগমনে কড়াকড়ি আরোপ করে। বছরে ৩ মাস পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় দ্বীপ। প্রতিদিন অনধিক দুই হাজার পর্যটককে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন উল্লেখ করে মিন্টু বলেন, তিন মাসের অধিক সময় পর্যটন চালু থাকলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে।

সুতরাং উন্মুক্ত সাগরের বুকে বাংলাদেশের একমাত্র কোরাল বা প্রবাল সংশ্লিষ্ট স্থান, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ও আমাদের গর্বের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের এই ব্যবস্থা আমাদের চালু রাখতে হবে।

৯ মাস পর্যটন বন্ধ রাখার কারণে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের অবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে—সরেজমিন বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা করে দেখা গেছে বলে জানান মন্ত্রী।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, এই সময়ে দ্বীপ প্রাকৃতিকভাবে তার পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার করার সুযোগ পায়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সেন্ট মার্টিন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত বহাল থাকছে

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সেন্ট মার্টিন নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্তই বহাল রাখবে নির্বাচিত সরকার। পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পর্যটকদের জন্য নির্ধারিত সময়েই খোলা রাখা হবে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ। তিন মাসের অধিক সময় পর্যটন চালু থাকলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে বলে মনে করছে সরকার।

ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

ডয়চে ভেলের প্রশ্নের জবাবে লিখিত উত্তর দিয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী।

তিনি বলেন, সরেজমিন বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা করে দেখা গেছে, ৯ মাস পর্যটন বন্ধ রাখার কারণে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের অবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে। দীর্ঘ প্রায় সাত বছর ধরে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শের ধারাবাহিকতায় সরকার ২০২৪ সালে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পর্যটন নিয়ন্ত্রণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বছরে ৯ মাস সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

২০২৪ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তী সরকার সেখানে গমনাগমনে কড়াকড়ি আরোপ করে। বছরে ৩ মাস পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয় দ্বীপ। প্রতিদিন অনধিক দুই হাজার পর্যটককে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সেন্ট মার্টিন ভ্রমণের অনুমতি দেওয়া হয়।

এই সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন উল্লেখ করে মিন্টু বলেন, তিন মাসের অধিক সময় পর্যটন চালু থাকলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে।

সুতরাং উন্মুক্ত সাগরের বুকে বাংলাদেশের একমাত্র কোরাল বা প্রবাল সংশ্লিষ্ট স্থান, বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ঐতিহ্য ও আমাদের গর্বের সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার লক্ষ্যে সেন্ট মার্টিন দ্বীপে পর্যটন নিয়ন্ত্রণের এই ব্যবস্থা আমাদের চালু রাখতে হবে।

৯ মাস পর্যটন বন্ধ রাখার কারণে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের অবস্থার উন্নয়ন ঘটেছে—সরেজমিন বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা করে দেখা গেছে বলে জানান মন্ত্রী।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, এই সময়ে দ্বীপ প্রাকৃতিকভাবে তার পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধার করার সুযোগ পায়।