ইলিশ মাছ চাষ করতে চায় প্রাণ-আরএফএল
- আপডেট সময় : ০১:৪৯:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬ ১৭২ বার পড়া হয়েছে
ইলিশ মাছ চাষ করতে চায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম (আরএএস) প্রযুক্তি ব্যবহার সামুদ্রিক মাছ ইলিশ, এশিয়ান সিবাস ও গ্রুপার মাছ চাষ শুরু করবে প্রাণ-আরএফএলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হবিগঞ্জ অ্যাগ্রো লিমিটেড।
এ লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে ডেনমার্কের প্রতিষ্ঠান এ্যাসেনটপ্ট অ্যাকুয়া ও হবিগঞ্জ অ্যাগ্রো লিমিটেড। প্রকল্প বাস্তবায়নে যৌথভাবে দুই বছরে ৩ কোটি ইউরো বিনিয়োগ করবে দুই প্রতিষ্ঠান। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় প্রাণ-আরএফএল।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বাড্ডায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়। হবিগঞ্জ অ্যাগ্রো লিমিটেডের পক্ষে নির্বাহী পরিচালক নাসের আহমেদ ও এ্যাসেনটপ্ট অ্যাকুয়ার পক্ষে (বিজনেস ডেভেলপমেন্ট) ব্যবসা উন্নয়নের বিভাগের পরিচালক ইয়েনস ওলে ওলেসেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের হয়ে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা, এ্যাসেনটপ্টের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মারিস্কোর ম্যানেজিং পার্টনার থমাস সুদারলিন্ড, এ্যাসেনটপ্টের কান্ট্রি ম্যানেজার আবদুল্লাহ আল মামুন মো. ইউসুফ, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের কোম্পানি সচিব মোহাম্মদ আমিনুর রহমান প্রমুখ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ প্রকল্পে আরএএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইনডোর ও সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা হবে। প্রকল্পটি চট্টগ্রাম বিভাগের মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে অথবা উভয় পক্ষের সম্মতিতে নির্ধারিত উপযুক্ত স্থানে বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের প্রতিটি মাছের গড় ওজন হবে ১ কেজি ২০০ গ্রাম থেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম। উৎপাদিত মাছের বড় একটি অংশ রপ্তানি করা হবে। এ ছাড়া একটি অংশ স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণে ব্যবহৃত হবে। প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বছরে প্রায় ২ হাজার মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন করা যাবে।
সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর শেষে প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা বলেন, দেশ ও আন্তর্জাতিক বাজারে সামুদ্রিক মাছের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে আরএএস পদ্ধতিতে এ ধরনের মাছ চাষ করতে চায় প্রাণ গ্রুপ। উন্নত দেশগুলোতে ইতিমধ্যে স্বল্প জায়গায় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মাছ চাষ হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো শিল্প পর্যায়ে সিবাস মাছ উৎপাদন শুরু হবে।
এ্যাসেনটপ্ট অ্যাকুয়ার ড. ইয়েনস ওলে ওলেসেন বলেন, ‘আমাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান মারিস্কো এপিএস ২০১৬ সাল থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে মাছ চাষে যৌথভাবে কাজ করে আসছে। বাংলাদেশে একটি আরএএস প্রযুক্তিভিত্তিক মাছ চাষ প্রকল্প বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আমরা ড্যানিশ সরকারের অর্থায়ন নিশ্চিত করেছি। আমরা এ পদ্ধতিতে সুস্বাদু সামুদ্রিক মাছের উৎপাদনের জন্য কাজ করছি, যার মধ্যে ব্রুডস্টক সুবিধাসহ হ্যাচারিও থাকবে।
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
দৈনিক ঢাকা প্রতিদিনের সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিকের মুক্তির দাবিতে কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পানির নিচে: চরম ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী ও বাসিন্দা
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম অর্ধবেলা বন্ধ
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাতে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটির প্রস্তাবপত্র হস্তান্তর করেন ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রকল্প উপদেষ্টা আধূনিক বাংলাদেশ এর ব্রান্ড এম্বাসেডর মো নিয়ামত আলী
আন্তর্জাতিক মানের স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা
তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ
আন্তর্জাতিক মানের স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা





























































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































