মূল অংশে যান
জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ ১০ দলের নেতারা ১৫ জানুয়ারি ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে আসন সমঝোতার মাধ্যমে ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন।

জামায়াত ২১৫ আসন রেখে মিত্রদের দিল ৭৯টি

জামায়াতে ইসলামীসহ ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের আসন সমঝোতা অনেকটাই চূড়ান্ত হয়ে গেছে। সমঝোতা অনুযায়ী, তিন শ আসনের মধ্যে ২৯৪টিতে ১০ দলের একক প্রার্থী থাকবে। আর ৬টি আসন উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, সেগুলোতে একাধিক দলের প্রার্থী রয়েছে।

দলীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জামায়াত ২১৫টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে। এসব আসনে ১০–দলীয় নির্বাচনী ঐক্যে থাকা অন্য কোনো দলের প্রার্থী থাকছে না। তবে উন্মুক্ত থাকা আসনগুলোতে শেষ পর্যন্ত সমঝোতা হলে জামায়াতের আসন বাড়তেও পারে।

জামায়াত বাদে নির্বাচনী ঐক্যে থাকা অন্য দলগুলোর মধ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ২৯টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ২৩টি, খেলাফত মজলিস ১২টি, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৭টি, এবি পার্টি ৩টি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি ৩টি এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি (বিডিপি) ২টি আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, জামায়াত ২১৫ আসনে নির্বাচন করবে, যেগুলোতে সমঝোতায় থাকা অন্য দলগুলোর প্রার্থী থাকছে না। তবে দু–একটি আসনে জামায়াতের প্রার্থীর সঙ্গে অন্য দলগুলোর প্রার্থীও আছে।

তিনি বলেন, উন্মুক্ত থাকা আসনগুলোর মধ্যে বেশি প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিসের। এনসিপি ও এবি পার্টিরও প্রার্থী আছে। নির্বাচনী প্রচার শুরু হলে যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে আসন সমঝোতা হয়ে যেতে পারে আবার শেষ পর্যন্ত উন্মুক্তও থাকতে পারে।

এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, ২৯ আসনে তাঁদের দলের একক প্রার্থী থাকছেন। তবে মৌলভীবাজার-৪ আসনটি উন্মুক্ত থাকবে, যেখানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসেরও প্রার্থী রয়েছে।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, জামায়াত ২১৫ আসনে নির্বাচন করবে, যেগুলোতে সমঝোতায় থাকা অন্য দলগুলোর প্রার্থী থাকছে না। তবে দু–একটি আসনে জামায়াতের প্রার্থীর সঙ্গে অন্য দলগুলোর প্রার্থীও আছে।

তিনি বলেন, উন্মুক্ত থাকা আসনগুলোর মধ্যে বেশি প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস ও খেলাফত মজলিসের। এনসিপি ও এবি পার্টিরও প্রার্থী আছে। নির্বাচনী প্রচার শুরু হলে যোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে আসন সমঝোতা হয়ে যেতে পারে আবার শেষ পর্যন্ত উন্মুক্তও থাকতে পারে।

এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, ২৯ আসনে তাঁদের দলের একক প্রার্থী থাকছেন। তবে মৌলভীবাজার-৪ আসনটি উন্মুক্ত থাকবে, যেখানে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসেরও প্রার্থী রয়েছে।

মতামত দিন