স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের প্রতিবেদন
কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধের সংকট নেই, কার্যক্রম চলছে পুরোদমে
- আপডেট সময় : ০৯:২৩:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ ১০৬ বার পড়া হয়েছে
সারা দেশের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে বর্তমানে কোনো ওষুধের সংকট নেই এবং চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পুরোদমে চালু রয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ। বৃহস্পতিবার (২১ মে) স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের আওতাধীন কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের পক্ষ থেকে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্টের সর্বশেষ অগ্রগতি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট আইন, ২০১৮’ দ্বারা পরিচালিত এই সংস্থার অধীনে দেশে বর্তমানে ১৪ হাজার ৪৬০টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু রয়েছে। এসব ক্লিনিক থেকে রোগীদের নিয়মিত ২২ প্রকার ওষুধ সরবরাহ করা হয়।
জানতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান কালের কণ্ঠকে বলেন, আমাদের কার্যক্রম পুরোদমে চলমান আছে। কোথাও কোনো ওষুধের ঘাটতি নেই।
যেসব জায়গায় সাময়িক সংকট ছিল, সেসব এলাকায় ইতিমধ্যে ওষুধ পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।
খুলনা অঞ্চলের উদাহরণ দিয়ে তিনি আরো বলেন, খুলনা জেলার নয়টি উপজেলায় বর্তমানে পর্যাপ্ত ওষুধ সরবরাহ রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী প্রতি কমিউনিটি ক্লিনিকের জন্য এক কার্টন করে ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমানে ক্লিনিকে যে পরিমাণ ওষুধ মজুদ আছে, তা দিয়ে আগামী দেড় মাস চলে যাবে।
চলতি অর্থবছরে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় পণ্য ও সেবা খাতে ট্রাস্টের জন্য ২১৬ কোটি ২০ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়। এর মধ্যে গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর প্রথম কিস্তিতে ৪৫ কোটি টাকা এবং ১৮ নভেম্বর দ্বিতীয় কিস্তিতে আরো ৪৫ কোটি টাকা ছাড় করে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ।
এর আগে গত বছরের ১৫ জুলাই ওষুধ ক্রয়ের প্রস্তাব অনুমোদনের পর ২৯ জুলাই সরকারি প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কম্পানি লিমিটেডকে (ইডিসিএল) কার্যাদেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে ওষুধ সরবরাহ কার্যক্রম দীর্ঘায়িত হওয়ায় তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক দুই কিস্তির অর্থ একত্র করে ৯০ কোটি টাকার ওষুধ ক্রয়ের উদ্যোগ নেন।
পরবর্তী সময়ে বার্ষিক কর্মপরিকল্পনার আওতায় দুটি পৃথক প্যাকেজে (জিআর-১ ও জিআর-২) প্রায় ৯০ কোটি টাকা করে ওষুধ ও প্রতিষেধক ক্রয়ের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
গত ১৭ ফেব্রুয়ারি কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট ১৪ এপ্রিলের মধ্যে সরবরাহ সম্পন্ন করার শর্তে ইডিসিএলকে ৮৯ কোটি ৯৯ লাখ ৫৭ হাজার টাকার কার্যাদেশ দেওয়। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ার পর ১৫ এপ্রিল থেকে প্রতিষ্ঠানটি ওষুধ সরবরাহ শুরু করে।
এদিকে সংশোধিত বাজেটের আওতায় নতুন করে আরেকটি প্যাকেজের অধীনে ৭৫ কোটি ৯৯ লাখ ৭৯ হাজার টাকার নতুন কার্যাদেশ বুধবার ইডিসিএলের অনুকূলে জারি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আশা করছেন, নতুন এই কার্যাদেশের ফলে মাঠপর্যায়ের কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে ওষুধ সরবরাহ পরিস্থিতির আরও উন্নতি হবে।
নিউজটি শেয়ার করুন
-
সর্বশেষ সংবাদ
-
জনপ্রিয় সংবাদ
দৈনিক ঢাকা প্রতিদিনের সাংবাদিক হাফিজুর রহমান শফিকের মুক্তির দাবিতে কদমতলী থানা প্রেসক্লাবের মানববন্ধন
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক পানির নিচে: চরম ভোগান্তিতে হাজারো যাত্রী ও বাসিন্দা
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের কার্যক্রম অর্ধবেলা বন্ধ
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর হাতে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটির প্রস্তাবপত্র হস্তান্তর করেন ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রকল্প উপদেষ্টা আধূনিক বাংলাদেশ এর ব্রান্ড এম্বাসেডর মো নিয়ামত আলী
আন্তর্জাতিক মানের স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা
তনু হত্যা মামলায় সাবেক দুই সেনাসদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ
আন্তর্জাতিক মানের স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটি বাংলাদেশের মতবিনিময় সভা





























































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































