এই কর্মসূচির মূল তথ্যগুলো নিচে দেওয়া হলো:
- লক্ষ্যমাত্রা ও বয়স: এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের হামের টিকা দেওয়া হবে [১.১.৬, ১.৪.৩]। ইতিপূর্বে এই টিকা ৯ মাস বয়স থেকে দেওয়া হতো, কিন্তু বর্তমানে কম বয়সী শিশুদের মধ্যে সংক্রমণ বাড়ায় বয়সসীমা কমিয়ে ৬ মাস করা হয়েছে ।
- টিকা প্রাপ্তি: সরকারিভাবে প্রায় ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ টিকা সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে [১.৩.৬, ১.৪.৩]। হামের প্রাদুর্ভাব বেশি এমন জেলা ও উপজেলাগুলোকে (যেমন: বরগুনা, ময়মনসিংহ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ) এই কর্মসূচিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে ।
- কর্মসূচির ধরন: নিয়মিত ইপিআই (EPI) টিকাদান কার্যক্রমের পাশাপাশি এই বিশেষ অতিরিক্ত ডোজটি দেওয়া হবে । অর্থাৎ আপনার শিশু আগে টিকা নিয়ে থাকলেও এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে তাকে অতিরিক্ত এক ডোজ টিকা দেওয়া যাবে [১.৪.৩]।
- কার্যকরী ব্যবস্থা: টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে মাঠ পর্যায়ের সকল স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে এবং উপজেলা পর্যায়ে দ্রুত টিকা ও সিরিঞ্জ সরবরাহের কাজ চলছে ।
- কেন এই টিকা জরুরি: হাম অত্যন্ত সংক্রামক এবং এটি থেকে নিউমোনিয়া বা শ্বাসকষ্টের মতো জটিলতা হতে পারে [১.৪.৫, ১.৫.৩]। টিকা দেওয়াই এটি প্রতিরোধের একমাত্র কার্যকর উপায় ।
-
আপনার শিশুর বয়স কত এবং সে কি এর আগে হামের নিয়মিত ডোজগুলো পেয়েছে? এ সম্পর্কে আরও তথ্যের জন্য নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্র বা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করতে পারেন।
