মূল অংশে যান
যে বল দিয়ে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপ গুঁড়িয়ে দিয়েছেন, মাঠ ছাড়ার সময় সেই বলটাই প্রদর্শন করেছেন নাহিদ রানা। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে। ছবি: মীর ফরিদ

নাহিদের ক্যারিয়ারসেরা বোলিং, মিরপুরে ৫ উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের আর কোন পেসার

মন্থর পিচে বল নিচু হয়ে আসায় মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়াম বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্পিনারদের স্বর্গরাজ্য হিসেবে কাজ করে। তাই স্রোতের বিপরীতে পেসাররা সেখানে দারুণ কিছু করে ফেললে বেশ আলোচনা হয়।

আজ যেমন নাহিদ রানা ওয়ানডেতে তাঁর ক্যারিয়ারসেরা বোলিং করে শোরগোল ফেলে দিলেন। মিরপুরে পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে ২৪ রানে ৫ উইকেটে নিয়েছেন বাংলাদেশের সবচয়ে দ্রুতগতির বোলার।

পাকিস্তানের বিপক্ষে এই সংস্করণে এটাই কোনো বাংলাদেশি বোলারের সেরা বোলিং। নাহিদের তোপে মাত্র ১১৪ রানে অলআউট হয়েছে পাকিস্তান।

মিরপুর শেরেবাংলায় ওয়ানডে ক্রিকেটের অভিষেক ২০০৬ সালে। এই দেড় যুগে নাহিদ রানাকে নিয়ে মোট ১৭ জন বোলার ম্যাচে ৫ বা এর বেশি উইকেট নিয়েছেন।

বাংলাদেশি পেসারদের মধ্যে এই কীর্তি গড়েছেন পাঁচজন—নাহিদ রানার আগে মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, রুবেল হোসেন ও ফরহাদ রেজা।

মিরপুরে ওয়ানডেতে সবচেয়ে বেশি তিনবার এই কীর্তি গড়েছেন মুস্তাফিজ। তবে শুরুটা হয়েছিল ২০০৮ সালে ফরহাদকে দিয়ে।

এরপর ২০১৩ সালে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে রুবেল নিয়েছিলেন ২৬ রানে ৬ উইকেট।

সেদিন তিনি হ্যাটট্রিকও করেছিলেন। পরের বছর তাসকিন ভারতের বিপক্ষে ২৮ রানে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন। সেটি ছিল বাংলাদেশের জার্সিতে তার অভিষেক ম্যাচ।

আর মুস্তাফিজের কীর্তি কারো ভোলার কথা নয়। ২০১৫ সালে বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেকের বছরটা তার স্বপ্নের চেয়েও সুন্দর কেটেছে।

মিরপুরে মুস্তাফিজ তিনবারই ইনিংসে কমপক্ষে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন ওই বছর। দুবার ভারতের বিপক্ষে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ে, একবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

মতামত দিন