ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ছাতক সিমেন্ট কারখানায় দ্রুত উৎপাদন হবে: শিল্প উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৪৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬ ১৬৬ বার পড়া হয়েছে

শিল্প এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, ছাতক সিমেন্ট কারখানার বিদ্যমান উৎপাদনপদ্ধতি ওয়েট প্রসেস থেকে ড্রাই প্রসেসে রূপান্তরের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।

উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান আজ শুক্রবার সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শিল্প উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থান যে পথ দেখিয়েছে, সেই পথ অনুসরণ করেই আগামীর নির্বাচিত সরকার দেশের শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা’।

সিমেন্ট কারখানা পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, শিল্পসচিব মো. ওবায়দুর রহমান, বিসিআইসির চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম মোস্তফা, ছাতক সিমেন্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর রহমান।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা ছাতক উপজেলায় সুরমা নদীর তীরে ১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ছাতক সিমেন্ট কারখানা। প্রতিষ্ঠার সময় নাম ছিল ‘আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানি’। এটি ছিল ব্যক্তিমালিকানাধীন। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সময় কারখানাটি মালিক ‘ছেড়ে যান’। ১৯৬৬ সালে কারখানাটি রাষ্ট্রীয় মালিকানায় আসে। পরে ১৯৮২ সালে এটির নিয়ন্ত্রণ নেয় শিল্প মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।

জানা যায়, ২০২০ সালে ভারত সরকার ছাতক সিমেন্ট কারখানাকে চুনাপাথর সরবরাহ করা কেএলএমসির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। চুনাপাথর না পেয়ে ২০২১ সালের মে মাসে কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। তখন থেকে এ পর্যন্ত পুরোনো ও নতুন উভয় কারখানায় উৎপাদন বন্ধ আছে। তবে ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ‘ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদনপদ্ধতি ওয়েট প্রসেস থেকে ড্রাই প্রসেসে রূপান্তরকরণ’ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ছাতক সিমেন্ট কারখানায় দ্রুত উৎপাদন হবে: শিল্প উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০২:৪৬:১৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

শিল্প এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, ছাতক সিমেন্ট কারখানার বিদ্যমান উৎপাদনপদ্ধতি ওয়েট প্রসেস থেকে ড্রাই প্রসেসে রূপান্তরের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে।

উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান আজ শুক্রবার সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলায় ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। শিল্প মন্ত্রণালয়ের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শিল্প উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থান যে পথ দেখিয়েছে, সেই পথ অনুসরণ করেই আগামীর নির্বাচিত সরকার দেশের শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করবে বলে আমাদের প্রত্যাশা’।

সিমেন্ট কারখানা পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, শিল্পসচিব মো. ওবায়দুর রহমান, বিসিআইসির চেয়ারম্যান মো. ফজলুর রহমান, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী কাজী গোলাম মোস্তফা, ছাতক সিমেন্ট কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুর রহমান।

ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্তঘেঁষা ছাতক উপজেলায় সুরমা নদীর তীরে ১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ছাতক সিমেন্ট কারখানা। প্রতিষ্ঠার সময় নাম ছিল ‘আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানি’। এটি ছিল ব্যক্তিমালিকানাধীন। ১৯৬৫ সালে পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সময় কারখানাটি মালিক ‘ছেড়ে যান’। ১৯৬৬ সালে কারখানাটি রাষ্ট্রীয় মালিকানায় আসে। পরে ১৯৮২ সালে এটির নিয়ন্ত্রণ নেয় শিল্প মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিসিআইসি)।

জানা যায়, ২০২০ সালে ভারত সরকার ছাতক সিমেন্ট কারখানাকে চুনাপাথর সরবরাহ করা কেএলএমসির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। চুনাপাথর না পেয়ে ২০২১ সালের মে মাসে কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। তখন থেকে এ পর্যন্ত পুরোনো ও নতুন উভয় কারখানায় উৎপাদন বন্ধ আছে। তবে ২০১৬ সালের জানুয়ারিতে ‘ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের উৎপাদনপদ্ধতি ওয়েট প্রসেস থেকে ড্রাই প্রসেসে রূপান্তরকরণ’ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়।