শিশু নির্যাতন: স্ত্রীসহ বিমানের এমডি শফিকুর কারাগারে
- আপডেট সময় : ০৮:১৪:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৮৯ বার পড়া হয়েছে
এগারো বছরের এক শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমান, তার স্ত্রী বিথীসহ চারজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদের আদালত এ আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই তাহমিনা আক্তার এতথ্য নিশ্চিত করেন।
এ মামলার অপর দুই আসামি হলেন, শফিকুর রহমানের বাসার অপর দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন এবং মোছা. সুফিয়া বেগম।
এরআগে রোববার দিবাগত রাতে উত্তরা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এরপর তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই রোমের মিয়া।
বিকেলে আসামিদের আদালতে তেলা হয়। এরপর তাদের পক্ষে অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন জামিন চেয়ে আবেদন করেন। অপর দিকে রাষ্ট্রপক্ষে তাহমিনা আক্তার জামিনের বিরোধীতা করেন। শুনানি শেষে ওই আদেশ দেন আদালত।
এরআগে মোহনাকে নির্যাতনের ঘটনায় তার হোটেল কর্মচারী বাবা গোলাম মোস্তফা রোববার মামলা দায়ের করেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, উত্তরা ৯ নং সেক্টরের শফিকুর রহমানের বাসার নিরাপত্তাকর্মী জাহাঙ্গীর গোলাম মোস্তফাকে জানায় ওই বাসায় বাচ্চা দেখাশোনার জন্য ছোট মেয়ে খুঁজতেছে। পরে তাদের সাথে দেখা করেন মোস্তফা। তারা জানায়, যাকে রাখবে বিবাহসহ যাবতীয় খরচ বহন করবে। তাতে সম্মত হয়ে গত বছরের জুন মাসে মোহনাকে ওই বাসায় কাজে দেন মোস্তফা। সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় মোহনাকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন বাবা। তবে এরপর আর মোহনাকে পরিবারের সাথে দেখা করতে দেয়নি আসামিরা। ৩১ জানুয়ারি সাথী মোস্তফাকে ফোন করে জানান, মোহনা অসুস্থ। তাকে নিয়ে যেতে। পরে মোহনাকে আনতে যান গোলাম মোস্তফা। সন্ধ্যা ৭ টার দিকে গোলাম মোস্তফার কাছে মোহনাকে বুঝে দেন সাথী।
তখন মোস্তফা দেখতে পান, মোহনার দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্নস্থান গুরুতর জখম। মোহনা ভালোভাবে কথাও বলতে পারে না। সাথীকে এর কারণ জিজ্ঞাসা করলে সদুত্তর দিতে পারে না। পরে তিনি মোহনাকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে জিজ্ঞাসাবাদে মোহনা জানায়, ২ নভেম্বর মোস্তফা তার সাথে দেখা করে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর রহমান এবং বিথীসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাকে মারপিট করে। এরপর খুন্তি আগুনে গরম করে তার শরীরের বিভিন্নস্থানে ছেঁকা দেয়।













































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































