ঢাকা ০১:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলসাগর ট্র্রেনের কোচ লাইনচ্যুত, তদন্ত কমিটি গঠন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০২:১৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬ ৬৫ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের কোচ লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনটি ঢাকা থেকে চিলাহাটির উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সান্তাহার স্টেশন পার হয়ে তিলকপুর স্টেশনের দিকে যাওয়ার সময় সিগন্যাল অনুসরণ না করায় বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার বাগমারি এলাকায় ট্রেনের ৯টি কোচ লাইনচ্যুত হয়।

এতে আহত হয় ৬৬ জন।

এর মধ্যে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ২০ জন চিকিত্সাধীন, আরো ৪০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং ছয়জনকে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিত্সা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার প্রাক্কালে প্রকৌশল বিভাগের লোকজন ব্যানার ফ্ল্যাগ ধরে এবং কশান মেসেজ দিয়ে রেল চেঞ্জের কাজ করছিলেন। স্টেশন থেকেও কশান অর্ডার দেওয়ার কথা। তা লোকো ড্রাইভার অনুসরণ না করায় কোচের লাইনচ্যুতির কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রধান পরিবহন কর্মকর্তার নেতৃত্বে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন যন্ত্র প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান সংকেত প্রকৌশলী। ঢাকা থেকে গতকাল সন্ধ্যায় ও রাতে ছাড়বে এ রকম সব কটি ট্রেন ছেড়ে গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নীলসাগর ট্র্রেনের কোচ লাইনচ্যুত, তদন্ত কমিটি গঠন

আপডেট সময় : ০২:১৩:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

ঢাকা থেকে চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনের কোচ লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় কারণ অনুসন্ধানে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। গতকাল বুধবার সকাল ৬টা ৪৫ মিনিটে ট্রেনটি ঢাকা থেকে চিলাহাটির উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সান্তাহার স্টেশন পার হয়ে তিলকপুর স্টেশনের দিকে যাওয়ার সময় সিগন্যাল অনুসরণ না করায় বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার বাগমারি এলাকায় ট্রেনের ৯টি কোচ লাইনচ্যুত হয়।

এতে আহত হয় ৬৬ জন।

এর মধ্যে নওগাঁ সদর হাসপাতালে ২০ জন চিকিত্সাধীন, আরো ৪০ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং ছয়জনকে আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিত্সা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার প্রাক্কালে প্রকৌশল বিভাগের লোকজন ব্যানার ফ্ল্যাগ ধরে এবং কশান মেসেজ দিয়ে রেল চেঞ্জের কাজ করছিলেন। স্টেশন থেকেও কশান অর্ডার দেওয়ার কথা। তা লোকো ড্রাইভার অনুসরণ না করায় কোচের লাইনচ্যুতির কারণ হিসেবে ধারণা করা হচ্ছে।

এ বিষয়ে প্রধান পরিবহন কর্মকর্তার নেতৃত্বে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন যন্ত্র প্রকৌশলী, প্রধান প্রকৌশলী ও প্রধান সংকেত প্রকৌশলী। ঢাকা থেকে গতকাল সন্ধ্যায় ও রাতে ছাড়বে এ রকম সব কটি ট্রেন ছেড়ে গেছে।