ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জ্বলছে ইসরায়েলের তেল শোধনাগার

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০১:৪৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬ ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে আগুন লেগেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ গিয়ে হাইফা শহরের ওই শোধনাগারে পড়ে ও এতে সেখানে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শোধনাগার থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই শোধনাগারের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি না, সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি।

কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরারে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর ও মধ্য ইসরায়েলসহ জেরুজালেম এলাকায় বিমান হামলার সতর্ক সংকেত (সাইরেন) বাজার পরপরই এই হামলার খবর আসে। তাৎক্ষণিকভাবে হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

অবশ্য এবারই প্রথম নয়, গত বছরও ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ১২ দিনের যুদ্ধের সময়েও হাইফার তেল শোধনাগারটি আক্রান্ত হয়েছিল।

এর আগে কুয়েতের দ্বিতীয় একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যায়।

সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে।

কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মিনা আবদুল্লাহ শোধনাগারের একটি অপারেশনাল ইউনিটে ড্রোনটি আঘাত হানে। হামলার পরপরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে কুয়েতের মিনা আল আহমাদি শোধনাগারেও একই ধরনের ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে আগুন লাগলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

গতকাল বুধবার ভোরে ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এটি বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র। গ্যাসক্ষেত্রটির একটি অংশ কাতারের।

সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাবে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি ক্ষেত্রে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সের কিছু অংশে আগুন লাগে।

এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম গ্যাসের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

কয়েকদিনের ব্যবধানে এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক জ্বালানি পরিস্থিতিকে আরো অস্থিতিশীল করে তুলেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা ‘জ্বালানি যুদ্ধের’ শঙ্কা বাড়াচ্ছে, যা বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় জ্বলছে ইসরায়েলের তেল শোধনাগার

আপডেট সময় : ০১:৪৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর ইসরায়েলের একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল শোধনাগারে আগুন লেগেছে। ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ গিয়ে হাইফা শহরের ওই শোধনাগারে পড়ে ও এতে সেখানে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শোধনাগার থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাতে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওই শোধনাগারের আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে কি না, সে বিষয়ে তথ্য পাওয়া যায়নি।

কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরারে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উত্তর ও মধ্য ইসরায়েলসহ জেরুজালেম এলাকায় বিমান হামলার সতর্ক সংকেত (সাইরেন) বাজার পরপরই এই হামলার খবর আসে। তাৎক্ষণিকভাবে হামলার ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

অবশ্য এবারই প্রথম নয়, গত বছরও ইরানের সঙ্গে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ১২ দিনের যুদ্ধের সময়েও হাইফার তেল শোধনাগারটি আক্রান্ত হয়েছিল।

এর আগে কুয়েতের দ্বিতীয় একটি তেল শোধনাগারে ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যায়।

সেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হয়েছে।

কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (কেপিসি) জানিয়েছে, দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত মিনা আবদুল্লাহ শোধনাগারের একটি অপারেশনাল ইউনিটে ড্রোনটি আঘাত হানে। হামলার পরপরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এর আগে কুয়েতের মিনা আল আহমাদি শোধনাগারেও একই ধরনের ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে, যেখানে আগুন লাগলেও কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি বলে নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

গতকাল বুধবার ভোরে ইরানের সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে বিমান হামলা চালায় ইসরায়েল। এটি বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র। গ্যাসক্ষেত্রটির একটি অংশ কাতারের।

সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্রে হামলার জবাবে সৌদি আরব, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের জ্বালানি ক্ষেত্রে পাল্টা হামলা চালায় ইরান। ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কাতারের রাস লাফান এলএনজি কমপ্লেক্সের কিছু অংশে আগুন লাগে।

এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম গ্যাসের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।

কয়েকদিনের ব্যবধানে এসব হামলা মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক জ্বালানি পরিস্থিতিকে আরো অস্থিতিশীল করে তুলেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ধারাবাহিক হামলা ‘জ্বালানি যুদ্ধের’ শঙ্কা বাড়াচ্ছে, যা বৈশ্বিক বাজারে তেলের দামে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।