ঢাকা ০১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরানের নারী ফুটবলাররা দেশে ফিরছেন তুরস্ক সীমান্ত দিয়ে

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৪:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬ ১৪০ বার পড়া হয়েছে

তুরস্কের বিমানবন্দরে ইরানের নারী ফুটবল দলের সদস্যরা। ছবি- বিবিসি বাংলা

দেশে ফিরছেন ইরানের নারী ফুটবল দলের সদস্যরা। তুরস্ক থেকে গাড়িতে করে গুরবুলাক সীমান্ত দিয়ে তাদের ইরানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর আগে তারা তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ইগদিরে অবতরণ করেন।

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়া থেকে মালয়েশিয়া ও ওমান হয়ে মঙ্গলবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে পৌঁছেন ইরানের নারী ফুটবলাররা।

তুর্কি সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে পুলিশের নিরাপত্তায় তারা বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচের আগে ইরানের জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকার করার পর, দলের সাত সদস্য অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন। তবে পরে তাদের মধ্যে পাঁচজন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন এবং দলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, পরিবারের সদস্যদের হুমকি ও চাপের কারণে তারা দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়ে থাকতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইরানের নারী ফুটবলাররা দেশে ফিরছেন তুরস্ক সীমান্ত দিয়ে

আপডেট সময় : ০৪:৫৪:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

দেশে ফিরছেন ইরানের নারী ফুটবল দলের সদস্যরা। তুরস্ক থেকে গাড়িতে করে গুরবুলাক সীমান্ত দিয়ে তাদের ইরানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর আগে তারা তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় শহর ইগদিরে অবতরণ করেন।

বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়া থেকে মালয়েশিয়া ও ওমান হয়ে মঙ্গলবার তুরস্কের ইস্তাম্বুলে পৌঁছেন ইরানের নারী ফুটবলাররা।

তুর্কি সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, কাস্টমসের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে পুলিশের নিরাপত্তায় তারা বিমানবন্দর ত্যাগ করেন।

এশিয়া কাপের উদ্বোধনী ম্যাচের আগে ইরানের জাতীয় সংগীত গাইতে অস্বীকার করার পর, দলের সাত সদস্য অস্ট্রেলিয়ায় রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছিলেন। তবে পরে তাদের মধ্যে পাঁচজন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করেন এবং দলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ইরানে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন।

মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, পরিবারের সদস্যদের হুমকি ও চাপের কারণে তারা দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়ে থাকতে পারেন।