ঈদে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস ১৭ মার্চ থেকে
- আপডেট সময় : ০১:৩৮:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ ৮০ বার পড়া হয়েছে
ঈদুল ফিতরে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও নির্বিঘ্ন নৌ যাত্রা নিশ্চিত করতে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। ঢাকা নদীবন্দর (সদরঘাটে) অতিরিক্ত যাত্রী চাপ কমানো এবং যাত্রীদের বিকল্প নৌপথে সহজ যাতায়াতের সুবিধায় এবছর বছিলা ব্রিজ সংলগ্ন লঞ্চঘাট (ব্রিজের নিচে) এবং পূর্বাচল কাঞ্চন ব্রিজ সংলগ্ন শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে বিশেষ লঞ্চ সার্ভিস চালুর ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রোববার নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা কাজী আরিফ বিল্লাহ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, আগামী ১৭ মার্চ থেকে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত বছিলা লঞ্চঘাট থেকে ৬টি এবং শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে ৩টি লঞ্চ বিশেষ সার্ভিসের মাধ্যমে বিভিন্ন নৌপথে যাত্রী পরিবহন করবে।
ঈদের আগে বছিলা লঞ্চঘাট থেকে লঞ্চ চলাচলের সময়সূচি হচ্ছে, বছিলা–সদরঘাট–হাকিমুদ্দিন: সকাল ৭টা (এমভি টিপু লঞ্চ); বছিলা–সদরঘাট–শরীয়তপুর : সকাল সাড়ে ৮টা (এমভি ইমাম হাসান-৫ লঞ্চ); বছিলা–সদরঘাট–চাঁদপুর : সকাল ১১টা (এমভি ঈগল-৪ লঞ্চ); বছিলা–সদরঘাট–ইলিশা: বেলা ১২টা (এমভি টিপু-৬ লঞ্চ); বছিলা–সদরঘাট–গলাচিপা, দুপুর ১টা (এমভি বোগদাদীয়া-১২ লঞ্চ ও এমভি শরিয়তপুর-৩ লঞ্চ) এবং বছিলা–সদরঘাট–ইলিশা : বিকেল সাড়ে ৩টা (এমভি ইয়াদ-১ লঞ্চ)।
শিমুলিয়া টুরিস্ট ঘাট থেকে লঞ্চ চলাচলের সময়সূচি হচ্ছে, শিমুলিয়া–চাঁদপুর : সকাল ৮টা (এমভি সমতা এন্ড সমৃদ্ধি এক্সপ্রেস লঞ্চ); শিমুলিয়া–চাঁদপুর : সকাল ৯টা (এমভি সমতা সমৃদ্ধি-১ লঞ্চ); শিমুলিয়া–বরিশাল : সকাল ৮টা এবং বরিশাল–শিমুলিয়া : সন্ধ্যা ৭টা (এমভি রাজারহাট বি লঞ্চ)।
এর পাশাপাশি ঈদযাত্রায় যাত্রীসেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকা নদীবন্দর (সদরঘাট) এলাকায় প্রবীণ ও মহিলা যাত্রীদের ব্যবহার্য মালামাল/ব্যাগ (ব্যবসায়িক পণ্য ব্যতীত) বহনের জন্য আগামী ১৭ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ১২ দিন টার্মিনাল থেকে লঞ্চ পর্যন্ত বিনামূল্যে কুলি/পোর্টার সেবা প্রদান করা হবে। একই সময় অসুস্থ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী যাত্রীদের জন্য ঢাকা নদীবন্দর (সদরঘাট) ও বরিশাল নদী বন্দরে হুইল চেয়ার সেবাও প্রদান করা হবে।
বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করছে, গৃহীত এসব উদ্যোগের ফলে এবারের ঈদযাত্রা আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে। এ লক্ষ্যে যাত্রীসাধারণের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে সংস্থাটি।




























































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































