ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬, ৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ১৫৩

মো:জোবায়ের
  • আপডেট সময় : ১০:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫ ২৮১ বার পড়া হয়েছে

 

প্রচলিত – আমাদের সমাজে দেখা যায় যে আমাদের যদি কোন ফেরেশানি এবং কি কোন মুসিবত আসে তাহলে আমরা কি করি হাই উতাস  শুরু করে এবং হাই উতাস করতে করতে পেরেশানি করতে করতে শেষ পর্যন্ত দেখা যায় যে আমরা নামাজ কেউ ছেড়ে দি দিনকে আমার থেকে দূরে সরায় দি
কিন্তু ইসলাম কি বলে
কোরআনে আল্লাহ পাক বলেন
আহসানুল বায়ান
সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ১৫৩
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَ الصَّلوةِ
إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّبِرِينَ
ইয়া আইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানুত্তা’ঈনু বিসসারি ওয়াসসালা-তি; ইন্নাল্লা-হা মা’আসসা-বিরীন।
অনুবাদ
হে বিশ্বাসিগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে থাকেন। [১]
তাফসীর
[১] মানুষের দু’টি অবস্থা হয়, আরাম ও স্বস্তি এবং কষ্ট ও অস্বস্তি। আরাম ও স্বস্তির সময় আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন এবং কষ্ট ও অস্বস্তির সময় ধৈর্য ধারণ ও আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনার তাকীদ করা হয়েছে। হাদীসে এসেছে, “মু’মিনের ব্যাপারটা আশ্চর্যজনক। তার জন্য আনন্দের কোন কিছু হলে, সে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। আর ক্ষতিকর কোন কিছু হলে, সে ধৈর্য ধারণ করে। এই উভয় অবস্থা তার জন্য কল্যাণকর।” (মুসলিম ২৯৯৯নং) ধৈর্য দু’প্রকারের। প্রথম হল, হারাম ও পাপ কাজ ত্যাগ করা ও তা থেকে দূরে থাকার উপর এবং লোভনীয় (অবৈধ) জিনিস বর্জন ও সাময়িক সুখ ত্যাগ করার উপর ধৈর্য ধারণ করা। দ্বিতীয় হল, আল্লাহর নির্দেশাবলী পালন করতে গিয়ে যে কষ্টের সম্মুখীন হতে হয়, তা ধৈর্য ও সংযমের সাথে সহ্য করা। কেউ কেউ সবর ও ধৈর্যের ব্যাখ্যা এইভাবে করেছেন, আল্লাহর পছন্দনীয় কর্মসমূহ সম্পাদন করা; তাতে দেহ ও আত্মায় যতই কষ্ট অনুভব হোক না কেন। আর আল্লাহর অপছন্দনীয় কর্মসমূহ থেকে দূরে থাকা; তাতে প্রবৃত্তি ও কামনা তাকে সেদিকে যতই আকৃষ্ট করুক না কেন। (ইবনে কাসীর)
.
(হাদীস)  হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যে রসুল আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম বলেছেন আল্লাহ পাক  যদি কারো বালাই এক্তিয়ার করেন আল্লাহপাক তাকে মসিবতের মধ্যে ঢেলে দেন  (রেওয়াহে তিরমিজি)

নিউজটি শেয়ার করুন

3 thoughts on “সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ১৫৩

  1. আলহামদুলিল্লাহ আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ যে আপনি ইসলামের পাশে আছেন এবং সামনে এগিয়ে যান আমরা আপনার পাশে আছি যতদিন ইসলামের পাশে আছেন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ১৫৩

আপডেট সময় : ১০:১৬:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

 

প্রচলিত – আমাদের সমাজে দেখা যায় যে আমাদের যদি কোন ফেরেশানি এবং কি কোন মুসিবত আসে তাহলে আমরা কি করি হাই উতাস  শুরু করে এবং হাই উতাস করতে করতে পেরেশানি করতে করতে শেষ পর্যন্ত দেখা যায় যে আমরা নামাজ কেউ ছেড়ে দি দিনকে আমার থেকে দূরে সরায় দি
কিন্তু ইসলাম কি বলে
কোরআনে আল্লাহ পাক বলেন
আহসানুল বায়ান
সূরাঃ আল বাকারা, আয়াতঃ ১৫৩
يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اسْتَعِينُوا بِالصَّبْرِ وَ الصَّلوةِ
إِنَّ اللَّهَ مَعَ الصَّبِرِينَ
ইয়া আইয়ুহাল্লাযীনা আ-মানুত্তা’ঈনু বিসসারি ওয়াসসালা-তি; ইন্নাল্লা-হা মা’আসসা-বিরীন।
অনুবাদ
হে বিশ্বাসিগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাযের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয় আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে থাকেন। [১]
তাফসীর
[১] মানুষের দু’টি অবস্থা হয়, আরাম ও স্বস্তি এবং কষ্ট ও অস্বস্তি। আরাম ও স্বস্তির সময় আল্লাহর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন এবং কষ্ট ও অস্বস্তির সময় ধৈর্য ধারণ ও আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনার তাকীদ করা হয়েছে। হাদীসে এসেছে, “মু’মিনের ব্যাপারটা আশ্চর্যজনক। তার জন্য আনন্দের কোন কিছু হলে, সে আল্লাহর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে। আর ক্ষতিকর কোন কিছু হলে, সে ধৈর্য ধারণ করে। এই উভয় অবস্থা তার জন্য কল্যাণকর।” (মুসলিম ২৯৯৯নং) ধৈর্য দু’প্রকারের। প্রথম হল, হারাম ও পাপ কাজ ত্যাগ করা ও তা থেকে দূরে থাকার উপর এবং লোভনীয় (অবৈধ) জিনিস বর্জন ও সাময়িক সুখ ত্যাগ করার উপর ধৈর্য ধারণ করা। দ্বিতীয় হল, আল্লাহর নির্দেশাবলী পালন করতে গিয়ে যে কষ্টের সম্মুখীন হতে হয়, তা ধৈর্য ও সংযমের সাথে সহ্য করা। কেউ কেউ সবর ও ধৈর্যের ব্যাখ্যা এইভাবে করেছেন, আল্লাহর পছন্দনীয় কর্মসমূহ সম্পাদন করা; তাতে দেহ ও আত্মায় যতই কষ্ট অনুভব হোক না কেন। আর আল্লাহর অপছন্দনীয় কর্মসমূহ থেকে দূরে থাকা; তাতে প্রবৃত্তি ও কামনা তাকে সেদিকে যতই আকৃষ্ট করুক না কেন। (ইবনে কাসীর)
.
(হাদীস)  হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন যে রসুল আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাই সালাম বলেছেন আল্লাহ পাক  যদি কারো বালাই এক্তিয়ার করেন আল্লাহপাক তাকে মসিবতের মধ্যে ঢেলে দেন  (রেওয়াহে তিরমিজি)