ঢাকা ০১:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাগরিক শোকসভা

সাহস, দেশপ্রেম ও নীতিনিষ্ঠার প্রতীক ছিলেন খালেদা জিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০১:৪১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে

খালেদা জিয়া। ফাইল ছবি

সাহসী নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের জন্য মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দীর্ঘ কারাবাস ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও কখনো প্রতিহিংসামূলক মনোভাব প্রকাশ করেননি তিনি। স্বাধীন সাংবাদিকতা ও নীতিনিষ্ঠাকে সম্মান করার পাশাপাশি রুচিশীলতা, মার্জিত নেতৃত্ব ও উদার দৃষ্টিভঙ্গির জন্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনন্য খালেদা জিয়া। তাঁর অবদান দেশের ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

খালেদা জিয়া স্মরণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শুক্রবার বিকেলে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই শোকসভায় রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক, সম্পাদক, কূটনীতিক, সাংবাদিক, উন্নয়নকর্মী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। নাগরিক সমাজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই শোকসভায় বাংলাদেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে খালেদা জিয়ার নানামুখী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন বিশিষ্টজনেরা।

শোকসভায় খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ ছেলে ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সভামঞ্চের সামনে দর্শকসারিতে বসেন। তাঁদের পাশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাসসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা বসেছিলেন।

বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় যোগ দেন পুত্র বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমানসহ পরিবারের সদস্য ও বিশিষ্ট নাগরিকেরা। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

শোকসভা ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর মারা যান। তাঁর জানাজা ও দাফন হয় ৩১ ডিসেম্বর। তাঁর জানাজা পরিণত হয়েছিল জনতার মহাসমুদ্রে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নাগরিক শোকসভা

সাহস, দেশপ্রেম ও নীতিনিষ্ঠার প্রতীক ছিলেন খালেদা জিয়া

আপডেট সময় : ০১:৪১:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

সাহসী নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও আত্মত্যাগের জন্য মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। দীর্ঘ কারাবাস ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যেও কখনো প্রতিহিংসামূলক মনোভাব প্রকাশ করেননি তিনি। স্বাধীন সাংবাদিকতা ও নীতিনিষ্ঠাকে সম্মান করার পাশাপাশি রুচিশীলতা, মার্জিত নেতৃত্ব ও উদার দৃষ্টিভঙ্গির জন্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনন্য খালেদা জিয়া। তাঁর অবদান দেশের ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

খালেদা জিয়া স্মরণে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় শুক্রবার বিকেলে নাগরিক শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়। এই শোকসভায় রাজনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, লেখক, গবেষক, সম্পাদক, কূটনীতিক, সাংবাদিক, উন্নয়নকর্মী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। নাগরিক সমাজের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই শোকসভায় বাংলাদেশের অগ্রগতি ও উন্নয়নে খালেদা জিয়ার নানামুখী ভূমিকার কথা তুলে ধরেন বিশিষ্টজনেরা।

শোকসভায় খালেদা জিয়ার জ্যেষ্ঠ ছেলে ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমানসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সভামঞ্চের সামনে দর্শকসারিতে বসেন। তাঁদের পাশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ, মির্জা আব্বাসসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা বসেছিলেন।

বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় যোগ দেন পুত্র বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, তাঁর স্ত্রী জুবাইদা রহমান, মেয়ে জাইমা রহমান, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী শামিলা রহমানসহ পরিবারের সদস্য ও বিশিষ্ট নাগরিকেরা। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়।

শোকসভা ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা ছিল। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, র‍্যাব, কোস্টগার্ড, আনসারসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিলেন। এর পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর মারা যান। তাঁর জানাজা ও দাফন হয় ৩১ ডিসেম্বর। তাঁর জানাজা পরিণত হয়েছিল জনতার মহাসমুদ্রে।