ঢাকা ০২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জ ছাড়লেন নাহিদ-হাসনাতরা, জেলা ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০১:০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ। পরে প্রায় চার ঘণ্টা পর বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে বসে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন এনসিপির নেতারা। অভিযোগ দায়ের শেষে তারা মৌলভীবাজারের উদ্দেশে ফিরে যান।

বুধবার বিকেল ৪টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন এনসিপির নেতারা। পথে শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় পুলিশ তাদের গাড়িবহর থামিয়ে দেয়। প্রায় আধা ঘণ্টা সেখানে অবস্থানের পর বিকেল ৫টা ৫ মিনিটের দিকে তারা আবার হবিগঞ্জের দিকে রওনা হন।

পরে মুছাই এলাকায় আবারও পুলিশের বাধার মুখে পড়েন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং সংসদ সদস্য মাহমুদা আক্তার মিতুসহ দলের নেতারা।

রাত ৮টার দিকে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে বসে অভিযোগ দায়ের করেন এনসিপির নেতারা। অভিযোগের বাদী হন হবিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তানভীর রুয়েল। অভিযোগে ১১ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি আরও ১০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

হবিগঞ্জ ছাড়লেন নাহিদ-হাসনাতরা, জেলা ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

আপডেট সময় : ০১:০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬

মৌলভীবাজার থেকে হবিগঞ্জে যাওয়ার পথে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের গাড়িবহর আটকে দেয় পুলিশ। পরে প্রায় চার ঘণ্টা পর বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে বসে হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগনসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দেন এনসিপির নেতারা। অভিযোগ দায়ের শেষে তারা মৌলভীবাজারের উদ্দেশে ফিরে যান।

বুধবার বিকেল ৪টার দিকে মৌলভীবাজার সার্কিট হাউস থেকে হবিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন এনসিপির নেতারা। পথে শ্রীমঙ্গলের চা-কন্যা এলাকায় পুলিশ তাদের গাড়িবহর থামিয়ে দেয়। প্রায় আধা ঘণ্টা সেখানে অবস্থানের পর বিকেল ৫টা ৫ মিনিটের দিকে তারা আবার হবিগঞ্জের দিকে রওনা হন।

পরে মুছাই এলাকায় আবারও পুলিশের বাধার মুখে পড়েন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং সংসদ সদস্য মাহমুদা আক্তার মিতুসহ দলের নেতারা।

রাত ৮টার দিকে বাহুবল উপজেলার কামাইছড়া পুলিশ ফাঁড়িতে বসে অভিযোগ দায়ের করেন এনসিপির নেতারা। অভিযোগের বাদী হন হবিগঞ্জ জেলা যুবশক্তির আহ্বায়ক তন্ময় তানভীর রুয়েল। অভিযোগে ১১ জনের নাম উল্লেখ করার পাশাপাশি আরও ১০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।